পেনশন সংস্কার ও শিক্ষা সংস্কারের বিরুদ্ধে ফ্রান্সে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর হয়ে উঠেছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে শত শত হাইস্কুল (লিসি) পুরোপুরি অবরোধ ও ব্লক করেছে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। রাস্তায় আবর্জনার ড্রাম ফেলে, ব্যারিকেড গড়ে তুলে এবং প্ল্যাকার্ড হাতে স্লোগান দিয়ে তারা রাজপথ ও স্কুল প্রাঙ্গণ উত্তাল করে তুলেছে।
সংবাদ মাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, রাজধানী প্যারিসসহ মার্সেই, লিওন, তুলুজ ও নানতেসের মতো প্রধান শহরগুলোতে ছড়িয়ে পড়েছে এই আন্দোলন। শিক্ষার্থী ও তাদের প্রতিনিধিত্বকারী ইউনিয়নগুলোর দাবি, সরকার প্রস্তাবিত নতুন সংস্কার আইন শুধু তাদের শিক্ষাজীবনকেই অনিশ্চয়তায় ফেলবে না, বরং তাদের ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থান ও অবসরের বয়সের ওপরও বিরূপ প্রভাব ফেলবে।
অনেক স্থানে অবরোধ সরাতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করেছে, যার ফলে বেশ কিছু জায়গায় শিক্ষার্থী ও পুলিশের মধ্যে সংঘাত ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বেশ কিছু বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীকে আটক করার খবরও পাওয়া গেছে। জাতীয় শিক্ষক ইউনিয়নগুলোও শিক্ষার্থীদের এই দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে তাদের আন্দোলনে যোগ দিয়েছে।
শিক্ষার্থী প্রতিনিধিদের বক্তব্য, “আমরা আমাদের ভবিষ্যৎ ধ্বংস হতে দেখতে পারি না। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এই প্রতিরোধ কর্মসূচি ও ধর্মঘট অব্যাহত থাকবে।”
ফ্রান্সের শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, অচলাবস্থা নিরসনে শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি ও শিক্ষক সংগঠনগুলোর সঙ্গে আলোচনার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ইতোমধ্যে সারা দেশে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
একটি উত্তর দিন