1. kazi95481@gmail.com : ail : ail
  2. bb24newss@gmail.com : bb24newss@gmail.com : BB24 NEWS
  3. mehedisky09@gmail.com : mehedi : mehedi
  4. softness71@gmail.com : softness :
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শুভ শারদীয় দুর্গাপূজা: শুভাড্ডাসহ কেরানীগঞ্জে সম্প্রীতির বার্তা ও শুভেচ্ছা: হাজী মোঃ সেলিম দুর্গাপূজা শুধু হিন্দুদের একার নয়, এটা আমাদেরও উৎসব: রিজভী মেয়ের বিয়ের ভেন্যু ঠিক করতে গিয়ে অফিসার্স ক্লাবে সাবেক অতিরিক্ত সচিবের ট্রাজিক মৃত্যু রাজপথে নতুন নাটক শুরু করেছে বিরোধী দল: রিজভী যুক্তরাষ্ট্রের কারাগারে ইসলাম গ্রহণ: বদলে যাচ্ছে বহু বন্দির জীবন যুক্তরাষ্ট্রে হিন্দু মন্দিরে রক্তক্ষয়ী হামলার পরিকল্পনা নস্যাৎ: গ্রেফতার ১৯ বছরের মার্কিন তরুণ ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টে ভয়াবহ আগুন: ১০ জনের মৃত্যু, যা বললেন ফায়ার সার্ভিসের ডিজি সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড: অস্পষ্ট অভিযোগ ও প্রবাসীদের আইনি সুরক্ষায় সরকারের করণীয় ডিএমপির ২৪ ঘণ্টার বিশেষ অভিযান: গ্রেফতার ৫১০, মামলা ৪৮ শাপলাপুর ইউনিয়ন পরিষদে প্রশাসক নিয়োগে ডা: সৈকত বড়ুয়া সুপারিশপ্রাপ্ত

গাজায় বেসামরিক স্থাপনায় ড্রোন হামলায় শিথিল নীতি, ভয়াবহ প্রাণহানির অভিযোগ

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬
  • ২৫ সময় দৃশ্য

গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর ড্রোন হামলা এবং বেসামরিক মানুষের প্রাণহানির বিষয়ে গুরুতর অভিযোগ সামনে এসেছে। সামরিক গোয়েন্দা সদস্যদের জবানবন্দি অনুযায়ী, হামলার লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণের ক্ষেত্রে বেসামরিক নাগরিকদের হতাহতের ঝুঁকি ও পার্শ্বক্ষতির বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়ার নীতিমালায় উল্লেখযোগ্য শিথিলতা আনা হয়েছিল।

জবানবন্দিতে বলা হয়েছে, হামাসের মাঠপর্যায়ের ব্যাটালিয়ন কমান্ডার ইব্রাহিম বায়ারিকে হত্যার উদ্দেশ্যে জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরের ঘনবসতিপূর্ণ আবাসিক এলাকায় হামলা চালানো হয়। ওই হামলায় আনুমানিক ২৫০ থেকে ৩০০ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার দাবি করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, হামলার আগে সেখানকার বাসিন্দাদের নিরাপদে সরে যাওয়ার পর্যাপ্ত সুযোগ দেওয়া হয়নি।

আরেকটি জবানবন্দিতে হামাস কমান্ডার আলী কাদীকে লক্ষ্য করে পরিচালিত অভিযানের কথা উঠে এসেছে। ওই হামলায় একটি পরিবারের সব সদস্য নিহত হলেও লক্ষ্যবস্তু হিসেবে চিহ্নিত কমান্ডারটি বেঁচে যান বলে দাবি করা হয়েছে।

সামরিক ড্রোন দলের সদস্য ও গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, কোনো কোনো ক্ষেত্রে প্রায় ২০ জন পর্যন্ত বেসামরিক নাগরিক হতাহত হওয়ার আশঙ্কা থাকলেও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার অনুমোদন ছাড়াই ড্রোন হামলা চালানোর সুযোগ ছিল। তাদের অভিযোগ, সেনাদের নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিতে গিয়ে গাজার ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় বেসামরিক মানুষের জীবনের ঝুঁকিকে যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া হয়নি।

ইসরায়েলি মানবাধিকার সংস্থা ব্রেকিং দ্য সাইলেন্সের নির্বাহী পরিচালক নাদাব ওয়েইম্যান এ ধরনের সামরিক নীতির সমালোচনা করেছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, একজন ব্যাটালিয়ন কমান্ডার কিংবা ট্রাকচালককে হত্যার উদ্দেশ্যে শত শত নিরপরাধ মানুষকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের সিদ্ধান্তের জন্য শুধু মাঠপর্যায়ের সেনা সদস্য নয়, সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদেরও জবাবদিহির আওতায় আনা প্রয়োজন।

২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি সামরিক অভিযানে গাজায় বিপুলসংখ্যক ফিলিস্তিনি নিহত ও আহত হয়েছেন। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা পরিসংখ্যান অনুযায়ী, নিহতের সংখ্যা ৭৪ হাজার ৩০০ ছাড়িয়েছে এবং আহত হয়েছেন ১ লাখ ৭৫ হাজার ৪০০ জনেরও বেশি মানুষ।

গাজায় বেসামরিক মানুষের ওপর হামলা ও আন্তর্জাতিক মানবিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলার কার্যক্রম চলছে।

গাজায় বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা, সামরিক অভিযানে আনুপাতিকতার নীতি অনুসরণ এবং সম্ভাব্য যুদ্ধাপরাধের দায় নির্ধারণ নিয়ে এসব অভিযোগ নতুন করে আন্তর্জাতিক উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved 2020 bb24news.com
Theme Customized By BreakingNews