ভারতে সংখ্যালঘুদের ওপর অব্যাহত নির্যাতন ও বৈষম্যের বিষয়ে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক মহলের ভূমিকা নিয়ে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম কাউন্সিলের সভাপতি শহিদুল ইসলাম কবির। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, “ভারতে সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিষয়ে বিশ্ব কিংবা সংশ্লিষ্ট মহল কেন চুপ থাকে, অথচ বাংলাদেশের সার্বিক বিষয়ে এত সরব ভূমিকা পালন করে?”
সম্প্রতি প্রদত্ত এক বক্তব্যে তিনি বলেন, ভারতে মুসলিমসহ বিভিন্ন সংখ্যালঘু সম্প্রদায় দীর্ঘদিন ধরে ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে বৈষম্য, হয়রানি এবং সহিংস আক্রমণের শিকার হচ্ছে। মানবাধিকার লঙ্ঘনের নানা ঘটনা অহরহ ঘটলেও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও বিভিন্ন মহল সে বিষয়ে আশ্চর্যজনক নীরবতা পালন করে। অথচ বাংলাদেশে কোনো ছোট ঘটনা ঘটলেও অতিউৎসাহী হয়ে বিভ্রান্তিকর প্রচার ও রাজনৈতিক বক্তব্য দেওয়া শুরু হয়।
শহিদুল ইসলাম কবির বলেন, নিজের দেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়ে অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ ও ধর্মীয় সম্প্রীতির বিষয়ে অযাচিত মন্তব্য করা দ্বিমুখী নীতিরই নামান্তর। বাংলাদেশে সকল ধর্মের মানুষ সমান অধিকার নিয়ে বসবাস করে এবং সরকার সকল নাগরিকের সুরক্ষা প্রদানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তিনি আরও বলেন, ভারতে উগ্রপন্থীদের দ্বারা সংখ্যালঘুদের ওপর ঘটে যাওয়া অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার না হয়ে বাংলাদেশ নিয়ে অপপ্রচার বন্ধ করতে হবে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে মানবাধিকার ও সংখ্যালঘু সুরক্ষায় কোনো নির্দিষ্ট দেশের প্রতি পক্ষপাত না করে নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রাখার আহ্বান জানান তিনি।
Leave a Reply