বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে উষ্ণ অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছে বিশ্ব সম্প্রদায়। সম্প্রতি সম্পন্ন হওয়া নির্বাচনে জয়লাভের পর ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আসিফ আলী জারদারি, চীনের রাষ্ট্রদূতাবাস এবং যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, সুইজারল্যান্ড ও জার্মানির দূতাবাসসমূহ পৃথক পৃথক বার্তা পাঠিয়েছে।
আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়ার সারসংক্ষেপ:
ভারত: ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এক অভিনন্দন বার্তায় বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক ঐতিহাসিক ও রক্তের বন্ধনে আবদ্ধ। নতুন রাষ্ট্রপতির দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার প্রশংসা করে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, দুই দেশের মধ্যে জ্বালানি, প্রযুক্তি ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।
পাকিস্তান: পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আসিফ আলী জারদারি নতুন রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন জানান এবং দুই দেশের সম্পর্ক জোরদারের ওপর জোর দিয়ে ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে সুবিধাজনক সময়ে পাকিস্তান সফরের আমন্ত্রণ জানান।
চীন: বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে দেওয়া বার্তায় বাংলাদেশকে একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করা হয়। চীন নতুন রাষ্ট্রপতির মেয়াদে দুই দেশের মধ্যকার উচ্চমানের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ বেল্ট অংশীদারিত্ব ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
যুক্তরাজ্য: ব্রিটিশ হাই কমিশন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখা এবং পারস্পরিক দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সুসংহত করতে নতুন রাষ্ট্রপতির সঙ্গে কাজ করার ইচ্ছা ব্যক্ত করেছে।
ফ্রান্স, জার্মানি ও সুইজারল্যান্ড: ইউরোপীয় ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ মিত্র ফ্রান্স ও জার্মানি রাষ্ট্রপতির দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ার এবং গণতন্ত্রে তাঁর ভূমিকার প্রশংসা করে। ও সুইজারল্যান্ড দূতাবাস প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়, উন্নয়ন, মানবাধিকার ও অর্থনৈতিক সহযোগিতায় বাংলাদেশ ও ইউরোপের সম্পর্ক আরও গতিশীল হবে।
নির্বাচন কমিশন থেকে ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিজয়ী ঘোষণা করার পরপরই বিশ্বনেতা এবং ঢাকাভিত্তিক বিভিন্ন কূটনৈতিক মিশনের পক্ষ থেকে এই বার্তাগুলো আসতে শুরু করে।
বি.দ্র.: সাম্প্রতিক নির্বাচনের ফলাফল সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্যের জন্য নির্বাচন সংক্রান্ত নির্দেশিকা ও সরকারি গেজেট অনুসরণ করা যেতে পারে।
একটি উত্তর দিন