ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সাধারণ শিক্ষার্থী ও জনগণের যে বীরত্বপূর্ণ অবদান ছিল, তার প্রতি সম্মান ও ভালোবাসা প্রকাশ করেছেন ছাত্রনেতারা। একইসঙ্গে তাঁরা হুশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, এই অভ্যুত্থানের চেতনাকে বিসর্জন দিয়ে কেউ যদি পুনরায় ছাত্রলীগের মতো দখলদারিত্ব বা সহিংসতার পথ বেছে নেয়, তবে তাকে কঠোরভাবে প্রত্যাখ্যান ও ঘৃণা করা হবে।
সম্প্রতি এক বক্তব্যে জুলাই আন্দোলনে যুক্ত সংগঠকরা বলেন, “জুলাইয়ে আপনাদের যে অবদান ছিল, রাজপথে যে রক্ত ও ত্যাগ ছিল, সেটির জন্য আপনাদের আমরা হৃদয়ের গভীর থেকে ভালোবাসি। তবে আন্দোলনের মাধ্যমে অর্জিত এই স্বাধীনতাকে ব্যবহার করে কেউ যদি ছাত্রলীগের অপসংস্কৃতি ফিরিয়ে আনতে চায় কিংবা নতুন করে ছাত্রলীগ হতে চায়, তাকে চরম ঘৃণা জানাই।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও ছাত্রনেতাদের মতে, ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ছিল ফ্যাসিবাদী শাসন, শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা এবং ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের দীর্ঘদিনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও আধিপত্য বিস্তারের বিরুদ্ধে সর্বস্তরের ছাত্র-জনতার এক অভূতপূর্ব বিস্ফোরণ। জুলাই বিপ্লবে দল-মত নির্বিশেষে মানুষ যে বীরত্ব দেখিয়েছে, তা চিরস্মরণীয়। কিন্তু গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী নতুন বাংলাদেশে কোনো ধরনের দখলদারিত্ব, টেন্ডারবাজি বা ছাত্রলীগের মতো সহিংস ছাত্র রাজনীতির স্থান হবে না।
বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, জুলাইয়ের চেতনা রক্ষা করা প্রতিটি সাধারণ শিক্ষার্থীর দায়িত্ব। আন্দোলনের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে কেউ আবার অপশক্তির রূপ ধারণ করতে চাইলে তাকে ছাত্র-জনতাই প্রতিহত করবে।
একটি উত্তর দিন