অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে বদলি বাণিজ্য, নিয়োগ, পদোন্নতি ও কেনাকাটায় অনিয়মের অভিযোগে আনুষ্ঠানিক অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬) এক সংবাদ সম্মেলনে দুদকের উপপরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আকতারুল ইসলাম এই সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করেন।
অভিযোগ ও দুদকের পদক্ষেপ:
অভিযুক্ত ব্যক্তিরা: আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ছাড়া অভিযুক্ত অন্য কর্মকর্তারা হলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, যুগ্ম সচিব ড. শেখ মোহাম্মদ জোবায়েদ হোসেন এবং উপসচিব মো. মাসুম আহমেদ।
মূল অভিযোগ: উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তাদের চলতি দায়িত্ব বাতিল ও পুনঃপদায়নের মাধ্যমে প্রায় ৭৬ লাখ টাকা এবং ১৫০ জন সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার পদোন্নতি ও পছন্দের জায়গায় পদায়নে কয়েক কোটি টাকার অবৈধ লেনদেনের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে।
অনুসন্ধান দল: দুদকের উপপরিচালক মো. জাহিদ কালামের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি অনুসন্ধান দল গঠন করা হয়েছে।
আসিফ মাহমুদের প্রতিক্রিয়া:
এ বিষয়ে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে অভিযোগের সত্যতা প্রকাশের আহ্বান জানিয়ে বলেন, “দুদক বলছে প্রমাণ পাওয়া গেছে, প্রমাণ জনগণের জন্য উন্মুক্ত করুন, প্লিজ”।
একটি উত্তর দিন