1. kazi95481@gmail.com : annil : annil
  2. bb24newss@gmail.com : bb24newss@gmail.com : BB24 NEWS
  3. mehedisky09@gmail.com : mehedi : mehedi
  4. softness71@gmail.com : softness :
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
৩ ঘণ্টার মধ্যে পরিবারের কাছে ফিরল হারানো শিশু মিটফোর্ডে পাথরের আঘাতে সোহাগ হত্যা: প্রধান আসামি খালেক হাওলাদারের জামিন ত্রিশালে ৫৫ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার বিদ্যুৎ বিভ্রাটে রোগীদের স্বস্তি দিতে রায়পুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আইপিএস-সোলার ও ফ্যান পাঁচ ঘণ্টা জেলার বিভিন্ন এলাকায় একযোগে এ অভিযান জ্বালানি বাজারে নতুন উদ্বেগ: আবার বাড়ছে তেলের দাম গাজী নজরুলের এমপি পদ কি বহাল থাকবে, উঠছে নানা প্রশ্ন অনুমোদন ছাড়িয়ে গোপন গুদামে শুল্কমুক্ত মদ, সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের ৪ ওয়্যারহাউস সিলগালা সংরক্ষিত নারী আসন বিএনপি জোটেরই থাকছে, উপনির্বাচনের ঘোষণা ইসির মিষ্টির পদত্যাগ, সংরক্ষিত নারী আসন শূন্য

৯ শিক্ষক-কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক প্রক্রিয়া, ৩ কার্যদিবসের মধ্যে জবাব

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৪১ সময় দৃশ্য

দেশের বিভিন্ন মাদ্রাসায় শৃঙ্খলাভঙ্গ, সহকর্মীকে মারধর, জাল শিক্ষক নিবন্ধন সনদ ব্যবহার, বিধিবহির্ভূত নিয়োগ ও সরকারি নথি জালিয়াতির অভিযোগে ৯ শিক্ষক-কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর।

মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) পৃথক প্রজ্ঞাপন ও কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কেন প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে। অভিযোগের ধরন অনুযায়ী কারও এমপিও স্থগিত, কারও ইনডেক্স কর্তন এবং কারও বিরুদ্ধে ফৌজদারি ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগের কথা জানানো হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের তিন কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।

সহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের গোপালনগর মহিলা আলিম মাদ্রাসার ইবতেদায়ী শিক্ষক মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের বিরুদ্ধে সহকর্মী খাইরুল ইসলামকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও মারধরের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে।

তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৬’-এর ১৮.২ (ক) অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

একই ঘটনায় মাদ্রাসাটির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. শাহ আলমকেও কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনে ঘটনায় তার যোগসাজশের পাশাপাশি দায়িত্ব পালনে অদক্ষতা ও অযোগ্যতার অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এসব বিষয়ে তার বক্তব্য জানতে চেয়েছে অধিদপ্তর।

হাইকোর্টের নির্দেশ বাস্তবায়নে ব্যর্থতার অভিযোগ

কুমিল্লার দাউদকান্দি মদিনাতুল উলুম ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. রুহুল আমীনের বিরুদ্ধেও শোকজ করা হয়েছে।

হাইকোর্টের নির্দেশনা ও সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে ব্যর্থতার অভিযোগে তাকে এ নোটিশ দেওয়া হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অভিযোগের বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।

নিয়োগের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন, এমপিও স্থগিত

ভোলার চরফ্যাশনের দক্ষিণ চরআইচা রাব্বানিয়া আলিম মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ মো. জাকির হোসেনের নিয়োগের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

অভিযোগের তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তার এমপিও স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নিয়োগের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিধিবিধান লঙ্ঘন হয়েছিল কি না, তা যাচাই করছে অধিদপ্তর।

৩৬ বছর আগের নিয়োগ নিয়েও অনিয়মের অভিযোগ

নীলফামারীর জলঢাকার গোলনা ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক মাহবুবুর রহমানের নিয়োগ নিয়েও অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অধিদপ্তরের নথি অনুযায়ী, ১৯৯০ সালে তার নিয়োগ তৎকালীন এমপিও জনবল কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না। এ কারণে প্রথম এমপিওভুক্তির সময় থেকে ২০২৬ সালের এপ্রিল পর্যন্ত সরকারি অর্থে নেওয়া বেতন-ভাতা ফেরত দেওয়ার পাশাপাশি তার এমপিও বাতিলের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

নথি জালিয়াতির অভিযোগে ফৌজদারি মামলার উদ্যোগ

একই মাদ্রাসার প্রভাষক হোসাইন আহমেদের বিরুদ্ধে জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব গ্রহণ এবং সরকারি কাগজপত্র জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

অধিদপ্তরের নোটিশে বলা হয়েছে, তদন্তে এসব অভিযোগের পক্ষে প্রমাণ পাওয়া গেছে। তার এমপিও স্থগিতের পাশাপাশি ফৌজদারি মামলা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জাল নিবন্ধন সনদে এমপিও নেওয়ার অভিযোগ

জাল শিক্ষক নিবন্ধন সনদ ব্যবহার করে এমপিও নেওয়ার অভিযোগে গাজীপুর ও ময়মনসিংহের আরও তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর।

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্টদের নিবন্ধন সনদ ভুয়া হিসেবে শনাক্ত হওয়ার পর তাদের এমপিও ইনডেক্স কর্তনের বিষয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

গাজীপুরের কাপাসিয়ার বিবাদীয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার ইবতেদায়ী শিক্ষক মো. আফজাল হোসেনের ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন এবং একই প্রতিষ্ঠানের সহকারী শিক্ষক লুৎফুন নাহারের ১৩তম নিবন্ধন সনদ নিয়ে আপত্তি রয়েছে।

সনদ ভুয়া প্রমাণিত হওয়ায় তাদের এমপিও ইনডেক্স কেন কর্তন করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, ময়মনসিংহের ত্রিশালের বীররামপুর জান্নাতুল উলুম আলিম মাদ্রাসার ইবতেদায়ী প্রধান শামিমা নাছরিনের ৬ষ্ঠ শিক্ষক নিবন্ধন সনদও ভুয়া হিসেবে শনাক্ত হয়েছে বলে এনটিআরসিএর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তার ইনডেক্স কেন কর্তন করা হবে না, নোটিশে তা জানতে চেয়েছে অধিদপ্তর।

জবাবের পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত

অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, কারণ দর্শানোর নোটিশে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মকর্তাদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তাদের জবাব পাওয়ার পর অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট নথিপত্র ও তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে পরবর্তী প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

একটি উত্তর দিন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না। প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা হয়েছে *

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০২০ bb24news.com
BreakingNews দ্বারা থিম কাস্টমাইজ করা হয়েছে