হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রীসেবা ও সার্বিক ব্যবস্থাপনা তদারকি করতে আকস্মিক পরিদর্শনে গেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী। সরেজমিনে পরিদর্শনকালে যাত্রীদের ব্যাগ পাওয়ার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত বিলম্বের বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি ব্যাগেজ হ্যান্ডলিংয়ের সময় দ্রুততম সময়ে কমিয়ে আনার কঠোর নির্দেশ দেন।
পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী কাস্টমস, ইমিগ্রেশন ও গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং টার্মিনালের সার্বিক পরিচ্ছন্নতা, চেক-ইন কাউন্টার, পাসপোর্ট কন্ট্রোল এবং ব্যাগেজ ডেলিভারি এলাকা ঘুরে দেখেন।
যাত্রী ভোগান্তি নিরসনে নির্দেশনাসমূহ:
দ্রুত ব্যাগ হস্তান্তর: বিমান অবতরণের পর সর্বনিম্ন সময়ে যাত্রীদের হাতে ব্যাগ পৌঁছানো নিশ্চিত করতে হবে।
ট্রলি সংকট নিরসন: টার্মিনাল এলাকায় পর্যপ্ত ট্রলি সরবরাহ রাখা এবং ট্রলি ব্যবস্থাপনা সুশৃঙ্খল করা।
জিরো টলারেন্স নীতি: যাত্রী হয়রানি, ইমিগ্রেশনে দীর্ঘ অপেক্ষা বা ব্যাগেজ ব্যবস্থাপনায় কোনো প্রকার অবহেলা বরদাশত করা হবে না।
নিয়মিত তদারকি: সেবার মান পর্যবেক্ষণ করতে এ ধরনের আকস্মিক পরিদর্শন ভবিষ্যতে আরও চালানো হবে।
বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে নিয়োজিত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকার বিমানবন্দরগুলোকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে এবং প্রবাসী ও সাধারণ যাত্রীদের ভোগান্তিমুক্ত সেবা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যাগেজ না পেলে দায়ী সংশ্লিষ্ট কর্মীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন তিনি।
একটি উত্তর দিন