সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্তদের মধ্যে এখনো ৮১৭ জনের নিয়োগপত্র দেওয়া হয়নি। তাদের ঠিকানা ও প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে ‘বিশ্ব শিক্ষক দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, আগামী ১ অক্টোবর পর্যন্ত এসব প্রার্থীর তথ্য যাচাই করা হবে। এরপর যাচাই শেষে কতজন নিয়োগের জন্য বিবেচিত হবেন, তা চূড়ান্ত করা হবে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিয়োগ নিয়ে বিভিন্ন ধরনের সংবাদ প্রকাশের পর প্রার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এমনকি কেউ কেউ আত্মহত্যার কথাও বলেছেন। তবে এখনো বিষয়টি চূড়ান্ত হয়নি বলে জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, কিছু গণমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশের কারণে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগেই সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। এ ধরনের পরিস্থিতি দুঃখজনক বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া সম্পর্কে এহসানুল হক জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে অনুষ্ঠিত প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায় ১০ লাখ ৬৯ হাজার প্রার্থী অংশ নেন। নিয়োগ প্রক্রিয়া যথাযথভাবে সম্পন্ন করতে কাজ শুরুর পর ৩৩ হাজার ৮৫৪ জনের ফাইনাল আবেদন পাওয়া যায়।
নিয়োগপত্র দেওয়ার আগে প্রার্থীদের তথ্য ও ঠিকানা যাচাই করা হচ্ছে। এ সময় অনেকের ঠিকানা পরিবর্তনের তথ্যও পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্টরা পর্যায়ক্রমে প্রয়োজনীয় তথ্য জমা দিচ্ছেন। বর্তমানে ৮১৭ জনের বিষয়টি পর্যালোচনায় রয়েছে এবং আগামী ১ অক্টোবর পর্যন্ত যাচাই-বাছাই শেষে তাদের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলসহ শিক্ষা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
একটি উত্তর দিন