মিথ্যা ঘোষণায় যন্ত্রাংশের (স্পেয়ার পার্টস) আড়ালে খণ্ড খণ্ড করে দেশে আনা চারটি আভিজাত্যপূর্ণ ও বিলাসবহুল গাড়ি শনাক্ত করেছেন শুল্ক গোয়েন্দারা। কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের বিশেষ অভিযানে জালিয়াতির মাধ্যমে কর ফাঁকি দিয়ে আনা এসব গাড়ি উদ্ধার ও শনাক্ত করা হয়।
শুল্ক কর্মকর্তাদের সূত্রে জানা গেছে, একটি অসাধু চক্র উচ্চ হারের শুল্ক-কর ফাঁকি দেওয়ার উদ্দেশ্যে সম্পূর্ণ তৈরি (CBU) এসব দামি গাড়িকে আলাদা আলাদা যন্ত্রাংশ হিসেবে ঘোষণা দিয়ে কনটেইনারে আমদানি করে। পরবর্তীকালে দেশে এনে গোপন ওয়ার্কশপে জোড়া লাগিয়ে (অ্যাসেম্বল) অরিজিনাল লুক দিয়ে বিক্রির পরিকল্পনা ছিল চক্রটির।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমস গোয়েন্দারা চালানগুলো কায়িক পরীক্ষা ও নথি যাচাই-বাছাই করে অনিয়মটি নিশ্চিত করেন। উদ্ধার হওয়া গাড়িগুলোর মধ্যে রয়েছে রোলস রয়েস, বিএমডাব্লিউ ও মার্সিডিজ বেঞ্জের মতো বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ডের প্রিমিয়াম মডেল।
প্রাথমিক হিসেবে, স্বাভাবিক উপায়ে এসব গাড়ি আমদানি করলে যে পরিমাণ শুল্ক-কর পরিশোধ করতে হতো, খণ্ড খণ্ড যন্ত্রাংশ হিসেবে মিথ্যা ঘোষণা দেওয়ায় কোটি কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকির অপচেষ্টা করা হয়েছে।
এ ঘটনার পেছনে জড়িত আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট এবং পুরো চক্রটিকে চিহ্নিত করতে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দ্য কাস্টমস অ্যাক্ট অনুযায়ী মামলা দায়েরের পাশাপাশি রাজস্ব ফাঁকির অর্থ আদায়ের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
Leave a Reply