বিশেষ প্রতিনিধি:
আগামী বছর থেকে দেশের ১ কোটি ১০ লাখ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীকে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির মাধ্যমে পুষ্টিকর খাবারের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। আজ সোমবার (৩১ আগস্ট, ২০২৬) দিনাজপুরের শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফিডিং কর্মসূচি’ শীর্ষক প্রকল্পের ওরিয়েন্টেশন কর্মশালা ও মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আমাদের প্রধান লক্ষ্য হলো প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার হার শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনা। এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশে আর কোনো ঝরে পড়া শিশু থাকবে না।”
সংবাদের প্রধান দিকগুলো:
* ঝরে পড়া রোধ: পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পুষ্টি ঘাটতি পূরণসহ নিয়মিত উপস্থিতি বৃদ্ধি করা এবং ঝরে পড়ার প্রবণতা বন্ধ করাই এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য।
* অরাজনৈতিক ম্যানেজিং কমিটি: প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি নিয়ে প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট করেন যে এটি কোনো রাজনৈতিক বিষয় নয়। এলাকার সাধারণ মানুষের সরাসরি অংশগ্রহণের ভিত্তিতেই এই কমিটি গঠন করা হবে, যেন স্থানীয় সচেতনতা ও বিদ্যালয়ের প্রতি সবার দায়িত্ববোধ তৈরি হয়।
* দিনাজপুরে পাইলটিং ও সম্প্রসারণ: কর্মসূচির অংশ হিসেবে দিনাজপুরের ৫টি উপজেলার (কাহারোল, ঘোড়াঘাট, বিরল, বিরামপুর ও বোচাগঞ্জ) ৩৬৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৬৮ হাজার ৭৬১ জন শিশু এই স্কুল ফিডিংয়ের সুবিধা পাবে। কর্মশালায় সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়গুলোর প্রধান শিক্ষকেরা অংশ নেন।
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, স্থানীয় পর্যায়ে মায়েদের সম্পৃক্তকরণ এবং সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে খাবারের সর্বোচ্চ মান ও স্বচ্ছতা বজায় রাখা হবে। শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে কারিকুলাম সংস্কার এবং শিক্ষক প্রশিক্ষণের মতো মূল অবকাঠামোগত উন্নয়নেও সরকার সমান্তরালভাবে কাজ করছে।
Leave a Reply