1. kazi95481@gmail.com : annil : annil
  2. bb24newss@gmail.com : bb24newss@gmail.com : BB24 NEWS
  3. mehedisky09@gmail.com : mehedi : mehedi
  4. softness71@gmail.com : softness :
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
৩ ঘণ্টার মধ্যে পরিবারের কাছে ফিরল হারানো শিশু মিটফোর্ডে পাথরের আঘাতে সোহাগ হত্যা: প্রধান আসামি খালেক হাওলাদারের জামিন ত্রিশালে ৫৫ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার বিদ্যুৎ বিভ্রাটে রোগীদের স্বস্তি দিতে রায়পুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আইপিএস-সোলার ও ফ্যান পাঁচ ঘণ্টা জেলার বিভিন্ন এলাকায় একযোগে এ অভিযান জ্বালানি বাজারে নতুন উদ্বেগ: আবার বাড়ছে তেলের দাম গাজী নজরুলের এমপি পদ কি বহাল থাকবে, উঠছে নানা প্রশ্ন অনুমোদন ছাড়িয়ে গোপন গুদামে শুল্কমুক্ত মদ, সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের ৪ ওয়্যারহাউস সিলগালা সংরক্ষিত নারী আসন বিএনপি জোটেরই থাকছে, উপনির্বাচনের ঘোষণা ইসির মিষ্টির পদত্যাগ, সংরক্ষিত নারী আসন শূন্য

মাধবপুরের ঐতিহ্যবাহী ফিল্টার শিল্প বিলুপ্তির পথে

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৬৩ সময় দৃশ্য

 

এম এ বাছির রাজা, মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

একসময় দেশজুড়ে পরিচিত ছিল হবিগঞ্জের মাধবপুরের হাতে তৈরি পানি বিশুদ্ধকরণ ফিল্টার। সিমেন্ট, বালি, কংক্রিট, পাথর, লাইমস্টোন পাউডার ও মোজাইকের বিশেষ মিশ্রণে তৈরি এসব ফিল্টার শুধু পানি বিশুদ্ধই করত না, প্রাকৃতিকভাবেই দীর্ঘসময় পানি ঠান্ডা রাখত। স্থানীয়দের দাবি, একসময় মাধবপুরের তৈরি এসব ফিল্টার দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের পাশাপাশি ভারত, পাকিস্তানসহ এশিয়ার বিভিন্ন দেশেও যেত।

তবে আধুনিক প্লাস্টিক, ফাইবার, স্টিল ও অ্যালুমিনিয়ামের ফিল্টারের ব্যাপক ব্যবহার এবং উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় মাধবপুরের ঐতিহ্যবাহী এই শিল্প এখন বিলুপ্তির পথে।

স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, একসময় মাধবপুর পৌরসভার কাছারি এলাকা ও আশপাশে ১৫ থেকে ১৭টি কারখানায় দুই শতাধিক শ্রমিক কাজ করতেন। বর্তমানে হাতে গোনা কয়েকটি কারখানায় সীমিত পরিসরে ফিল্টার তৈরি হচ্ছে। কাজের অভাবে অনেক দক্ষ কারিগরও পেশা পরিবর্তন করেছেন।

জানা যায়, ১৯৪৭ সালে মাধবপুরের হীরালাল রায় হাতে তৈরি বিশেষ ধরনের পানি বিশুদ্ধকরণ ফিল্টার উদ্ভাবন করেন। পরবর্তীতে স্থানীয় কারিগরদের দক্ষতায় এটি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। তিন স্তরের বিশেষ কাঠামোর মাধ্যমে পানি ধীরে ধীরে পরিশোধিত হয়ে অপেক্ষাকৃত ঠান্ডা অবস্থায় জমা হতো। একসময় সিলেট, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ফরিদপুরসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ব্যবসায়ীরা মাধবপুরের এসব ফিল্টার সংগ্রহ করতেন। ‘মাধবপুর ফিল্টার’ নামেও এটি পরিচিতি লাভ করে।

কারিগররা জানান, আধুনিক ফিল্টারের সঙ্গে প্রতিযোগিতার পাশাপাশি কাঁচামালের দাম বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদন ব্যয়ও বেড়েছে। সিমেন্ট, বালি, পাথর ও মোজাইকের মূল্যবৃদ্ধি, আধুনিক প্রযুক্তির অভাব এবং বাজারজাতকরণে সীমাবদ্ধতার কারণে এ শিল্প ক্রমেই পিছিয়ে পড়ছে।

স্থানীয় কারিগর বাবু সুরঞ্জন বলেন, “বাবার আমল থেকে ফিল্টার বানাচ্ছি। আগে প্রতিদিন অর্ডার সামলাতে হিমশিম খেতে হতো। এখন সপ্তাহেও একটি অর্ডার পাই না। অনেকে কাজ ছেড়ে অন্য পেশায় চলে গেছেন।”

মাধবপুর বাজারের প্রবীণ ব্যবসায়ী সাদেক মিয়া বলেন, “একসময় এখানকার ফিল্টার দেশের বিভিন্ন জেলায় যেত। এখন স্থানীয়ভাবে অল্প কিছু বিক্রি হয়। সেই রমরমা দিন আর নেই।”

কারিগরদের দাবি, সরকারি উদ্যোগে প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে ঋণ, আধুনিক নকশা ও প্রযুক্তির সংযোজন এবং বাজারজাতকরণে সহযোগিতা দেওয়া হলে মাধবপুরের এই ঐতিহ্যবাহী শিল্পকে আবারও ঘুরে দাঁড় করানো সম্ভব।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved 2020 bb24news.com
Theme Customized By BreakingNews