দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তদন্ত ও কার্যক্রমের স্বচ্ছতা নিশ্চিতে সংস্থার সংগৃহীত যাবতীয় তথ্য-প্রমাণ ও নথি সাধারণ জনগণের কাছে উন্মুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ও সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ।
দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়ন এবং সাধারণ মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে তিনি এই আহ্বান জানান।
ঘটনার মূল বিষয়বস্তু:
স্বচ্ছতার দাবি: আসিফ মাহমুদ উল্লেখ করেন, অতীতে অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তির দুর্নীতির তথ্য ঢাকাকাপোড়া দেওয়া হয়েছে কিংবা প্রশাসনিক বেড়াজালে আটকে রাখা হয়েছে। জনগণের জানার অধিকার সুনিশ্চিত করতে সকল তদন্তের তথ্য জনসমক্ষে আনা প্রয়োজন।
জনগণের ওয়াচডগ ভূমিকা: দুদকের তদন্ত প্রক্রিয়া ও প্রমাণ সাধারণ মানুষের সামনে উন্মুক্ত থাকলে জনগণ নিজেই একজন তদারককারী (Watchdog) হিসেবে ভূমিকা রাখতে পারবে, যা কমিশনকে যেকোনো প্রকার রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক প্রভাব মুক্ত রাখবে।
সংসংস্কারমূলক প্রস্তাব: দুদককে একটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করতে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর দ্রুত সংস্কার দাবি করা হয়।
তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, নতুন বাংলাদেশের দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠনে দুদক তাদের অতীত ব্যর্থতা ঝেড়ে ফেলে শতভাগ পেশাদারিত্ব ও সততার সাথে দায়িত্ব পালন করবে এবং সংগৃহীত সকল নথি প্রকাশে কোনো দ্বিধা করবে না।
একটি উত্তর দিন