রংপুর মহানগর কোতোয়ালি থানা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তারের পরদিনই আদালত থেকে জামিন পেয়েছেন রংপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য রফিকুল ইসলাম দুলাল। তবে তার গ্রেপ্তারের পর ওসির বিরুদ্ধে গুরুত্বপুর্ণ মামলার তথ্য আড়াল বা গোপন করার অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিদ্যুৎ আদালতের একটি পরোয়ানা (ওয়ারেন্ট)-এর ভিত্তিতে রংপুর মহানগরের নিসবেতগঞ্জ এলাকা থেকে আওয়ামী লীগ নেতা রফিকুল ইসলাম দুলালকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ৫ আগস্টের পর থেকে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। গ্রেপ্তারের পর দিনই তাকে আদালতে হাজির করা হলে তিনি জামিন পান।
তবে অভিযোগ ওঠে, দুলালের বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলা, গুলিবর্ষণ ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মামলা থাকলেও রংপুর মহানগর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম নাজমুল কাদের সেই তথ্যগুলো আদালতে উপস্থাপন করেননি।
গোপনকৃত মামলার নথি অনুযায়ী:
ওসির বক্তব্য: এ বিষয়ে জানতে চাইলে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম নাজমুল কাদের অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, আসামিকে গ্রেপ্তারের পর পুলিশের ‘ক্রিমিনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (CDMS)’-এ তার বিরুদ্ধে অন্য কোনো ঝুলন্ত মামলা বা তথ্যের সিগন্যাল পাওয়া যায়নি। তাই প্রাথমিক পরোয়ানাভুক্ত মামলায় তাকে চালান দেওয়া হয়েছিল। মামলা গোপনের বিষয়টি সত্যি নয় বলে দাবি করেন তিনি।
তদন্ত কমিটি গঠন: ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর পুলিশি ব্যবস্থাপনায় কোনো অবহেলা বা গাফিলতি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে রংপুর মহানগর পুলিশ (আরএমপি)। গোয়েন্দা বিভাগের উপ-কমিশনার সনাতন চক্রবর্তীকে প্রধান করে গঠিত এই কমিটিকে ৩ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
Leave a Reply